Pakistan Reaction On LET: আমেরিকাকে উসকাচ্ছে ভারত, আমেরিকার পদক্ষেপে সন্ত্রস্ত, ভারতের দিকে অভিযোগের তির।
লস্কর-ই-তৈবা ও টিআরএফকে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা নিয়ে দিল্লির প্রতি ক্ষোভ উগরে দিল ইসলামাবাদ
✍️ প্রতিবেদন: indiatonight.in | ১৮ জুলাই ২০২৫
📄 কাশ্মীর হামলার পরিণতি—সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে ফের ভারত-পাকিস্তান সংঘাত
পহেলগাঁও হামলার দায় নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক স্তরে বিতর্ক। লস্কর-ই-তৈবার সহযোগী সংগঠন টিআরএফ-কে (The Resistance Front) সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করেছে আমেরিকা। এই ঘোষণার পরই পাকিস্তান জবাবি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, “এই পদক্ষেপ ভারতের উসকানিতে নেওয়া হয়েছে”।
📄 ইসলামাবাদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার একটি আনুষ্ঠানিক প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে:
-
পাকিস্তান সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা করে।
-
পাকিস্তান বিশ্বশান্তির পক্ষে কাজ করে আসছে।
-
তাদের দেশের ত্যাগকে অবহেলা করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক পরিসরে।
তারা ‘এবি গেট’ বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত শরিফুল্লাহকে গ্রেফতার করার উদাহরণ টেনে সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানকে তুলে ধরেছে।
📄 পহেলগাঁও হামলা ও টিআরএফ সংযোগ—ভারতের অভিযোগ
৮ জুলাই জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁও এলাকায় ভয়াবহ হামলা হয় তীর্থযাত্রীদের কনভয়ের উপর। ৯ জনের মৃত্যু হয়, আহত হন বহু। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার দাবি—এই হামলার নেপথ্যে ছিল টিআরএফ, যা লস্কর-ই-তৈবার একটি শাখা সংগঠন।
আমেরিকা এরপরই তাদের “Specially Designated Global Terrorist Entity” তালিকায় টিআরএফ-কে অন্তর্ভুক্ত করে।
📄 পাকিস্তানের পাল্টা বক্তব্য—‘আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব
পাকিস্তান বলছে:
-
পহেলগাঁও অঞ্চলের ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন।
-
একতরফা ঘোষণা অযৌক্তিক।
-
এই অঞ্চল “আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত”।
তারা ভারতকে দোষারোপ করে বলেছে, দিল্লি আন্তর্জাতিক মঞ্চকে ব্যবহার করে পাকিস্তানকে ছোট করতে চাইছে।
📄 LET সম্পর্কে পাকিস্তানের দাবি—‘নিষ্ক্রিয় ও নিষিদ্ধ সংগঠন’
লস্কর-ই-তৈবা সম্পর্কে পাকিস্তান সরকারের বক্তব্য:
-
LET পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ও নিষ্ক্রিয়।
-
শীর্ষ নেতাদের ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
-
সংগঠনের অস্তিত্ব কার্যত বিলুপ্ত।
তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, LET পাকিস্তানে রাজনৈতিক রূপে রূপান্তরিত হয়ে বিভিন্ন নামে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
📄 আমেরিকার সিদ্ধান্ত ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
আমেরিকার পদক্ষেপের ব্যাখ্যা:
-
ভারতের রিপোর্ট এবং গোয়েন্দা তথ্যের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত।
-
টিআরএফ একাধিক সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত, বিশেষ করে জম্মু-কাশ্মীরে।
এই পদক্ষেপে ভারত সন্তোষ প্রকাশ করলেও, পাকিস্তান ‘ভারতীয় লবির’ প্রভাব দেখছে।
📄 ভারতীয় প্রতিক্রিয়া—‘পাকিস্তান দ্বিচারিতা করছে’
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি:
"পাকিস্তান একদিকে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলে, অন্যদিকে সেই গোষ্ঠীগুলিকে আশ্রয় দেয়। এটা দ্বিচারিতা।"
ভারতের কূটনৈতিক মহল মনে করছে, পাকিস্তান এই উত্তেজনার আবহে নিজেদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকে আড়াল করার চেষ্টা করছে।
📄 ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব—চিন-রাশিয়া-আমেরিকার অবস্থান
-
চিন এই বিষয়ে নিরপেক্ষ থেকেছে এখনো।
-
রাশিয়া পাকিস্তানকে কৌশলগতভাবে সমর্থন করলেও LET-এর বিষয়ে নিরুৎসাহ।
-
আমেরিকা ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন।
পাক-আমেরিকা সম্পর্কের ভবিষ্যত এই ইস্যুর উপর নির্ভর করতে পারে।
📄 পাকিস্তানের অবস্থান—‘বিশ্ব শান্তির সেনানী?’
পাকিস্তানের দাবি:
-
তারা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে।
-
তারা অনেক সেনা হারিয়েছে।
-
আফগানিস্তানে তালিবান পতনের পর থেকে সীমান্ত রক্ষা করছে।
কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—ঘরোয়া জঙ্গি সংগঠনগুলিকে কি তারা সত্যিই দমন করছে?
📄 উপসংহার—সন্ত্রাস বিরোধী লড়াইয়ের অস্থির রাজনীতি
পাকিস্তান এবং ভারতের মধ্যেকার সন্ত্রাস ও কূটনীতির দ্বন্দ্ব আরও একবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রকট হয়ে উঠেছে।
এই ঘটনার কয়েকটি প্রধান দিক:
-
আন্তর্জাতিক ফোরামে ভারতের চাপ বাড়ছে।
-
পাকিস্তান আত্নপক্ষ সমর্থনে যুক্তি খুঁজছে।
-
সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ‘নীতির নিরপেক্ষতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে ইসলামাবাদ।
✦ পরিশেষে বলা যায়—
.webp)

0 মন্তব্যসমূহ
welcome to India tonight news